সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মহারাজ#

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- রবিবার বিকেল ৪টে ৪০ নাগাদ রাজভবনের সামনে এসে যখন লাল বিএমডাব্লুটা দাঁড়াল, তখন থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তাঁকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। ফিরতি পথে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দেন তিনি নিজেই। সবশেষে এদিন সাত সক্কালে তাঁর দিল্লি যাত্রা।
বিগত ৩৬ ঘণ্টা যাবত রাজ্য রাজনীতির ‘হটকেক’ একজনই। তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সকালে রাজধানীর বিমানে চেপে বসার আগেই যদিও রাজনীতি যোগের যাবতীয় জল্পনায় তিনি দাঁড়ি দিতে চেয়েছিলেন। তবে সেটা হয়নি। গত একদিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বাংলার নানা পক্ষের রাজনীতিবিদরা। ফলে দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেছেন তিনি।
ইতিমধ্যেই সৌরভের রাজনৈতিক যোগের জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি এসেছে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লার থেকে। একবার দেখে নেওয়া যাক কে কী বললেন।

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মহিউদ্দীন আহমেদ, বোলপুর। তৃনমূল কংগ্রেস আগেই বলেছিলো ঐত্যিহাসিক পদযাত্রা। মঙ্গলবার তৃনমূলের, বলা ভালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বুঝিয়ে দিলো বাংলাতে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন। বিজেপির অমিত শাহের সভা ও রোড শোতে যে পরিমান লোক সমাগম হয়েছিলো তাতে অনেকেই অবাক হয়েছিলো। মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেইআর আজ মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা সেই রের্কড ভেঙ্গে দিলো। দিন কয়েকের ব্যাবধানে বিজেপির মিছিল, সভা রোড শো আর তৃনমূলের সভা, পদযাত্রায় বিস্তর ফারাকও চোখে পড়ল। অমিত শাহের সভার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত হয় তার দ্বিগুনের থেকেও বেশী। ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়েই এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার বলেন ত্রিশ বছর চাকরী করছি। অনেক পলিটিক্যাল মিছিলে ডিউটি করেছি। কিন্তু এত লোক কখনও দেখিনি। ফারাক সংস্কৃতিতেও। অমিত শাহের সভা ও রোড শো কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ অবমাননার অভিযোগ উঠেছিলো। আর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানালেন প্রতি মূর্হুতে। মাইকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা গেছে তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও লাগানো হয় অনেক জায়গায়। সঙ্গে ছিলো বাউল শিল্পীরাও।মমতা

এদিন বোলপুরের ট্যুরিষ্ট লজ মোড় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা শুরু হয়। মমতার সঙ্গে ও রাস্তার দুপাশে এবং রাস্তার দু ধারের দোকান- বাড়ীর ছাদ ছিলো কানায় কানায় ভর্তি। তেরঙ্গা দলীয় পতাকা, সবুজ বেলুন, তোরন, ট্যাবলো তে চেনা বোলপুরকে আজ অনেকটাই অচেনা লাগছিলো। জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যখন হাঁটছিলেন তখন তাকে দেখার জন্য, অনেকে কথা বলার জন্য আকুল হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী অনেক সময় দাঁড়িয়ে হাতও নাড়েন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল বলেন, আমি বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ থেকে লোক আনিনি, হিন্দী ভাষী লোক আনিনি। আমি শুধু বীরভূমের লোক জমায়েত করেছি। এদিনে তৃনমূলের সভা ও পদযাত্রায় যে জনসমুদ্র দেখা গেছে তা অবশ্যই ইতিহাস হয়ে থাকবে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে। অভিমত অনেকের।

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী।

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: একুশের লক্ষ্যে ভোট বৈতরণি পার করতে এবার উন্নয়নই মূল হাতিয়ার তৃনমূলের।গত ১০ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরে এবার পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর বিধানসভায় শেষ হলো বঙ্গধ্বনি যাত্রা।সোমবার দিন যে বঙ্গধ্বনি যাত্রার শেষ পর্বে কাশীপুরে বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো একটি বিশাল মিছিল।এদিন কাশীপুর সেবাব্রতী সংঘের মাঠ থেকে যে মিছিলটি শুরু হয়ে কাশীপুর বাজার এলাকা পরিক্রমা করে শেষ হয় কাশীপুর বাজার মোড়ে।এই মিছিলের মধ্য দিয়ে এদিন দোকান ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের সমস্যার কথা শুনে তাদের হতে উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড তুলে দেন বিধায়ক সহ তৃনমূলের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দরা।পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

কাশীপুর বিধানসভার প্রায় প্রত্যেকটি এলাকা থেকে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা এসে এদিনের এই মিছিলে শামিল হন।এদিনের এই মিছিলে বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় ব্যানার্জি,জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন বেলথরিয়া, কাশীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কমল বাউরি ও কাশীপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদেব হেমব্রম সহ অন্যান্যরা।

এদিন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া বলেন,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশঅনুসারে তৃণমূল সরকারের বিগত ১০ বছরের সমস্ত উন্নয়ন কাশীপুর বিধানসভা এলাকার মানুষজনদের কাছে এই বঙ্গধ্বনি কর্মসূচীতে তুলে ধরলাম আমরা।যে কর্মসূচীর আজ সমাপ্ত হলো।অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত উন্নয়নমুখী প্রকল্প আমরা এই কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরলাম।পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সকলের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনলাম।তিনি এদিন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক যেভাবে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে গেছেন এবারের নির্বাচনে আমরা ব্যাপক ভোট জয়ী হবো।এবং পুনরায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসিয়ে তুলবো।

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণের সামনে বিজেপির বিশাল পথসভা। একুশের নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেন সায়নতন বসু।তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভামঙ্গলবার দিন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিধানসভার শক্তিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো বিজেপির পথসভা। ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া এদিনের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়নতন বসু, জেলা বিজেপির সম্পাদক রাম কুমার দে এবং জেলা মহিলা মোর্চা সভানেত্রী তনুশ্রী সা৺ন্তরা সহ অন্যান্যরা। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি গ্রামবাসীদের কাছে তুলে ধরেন বিজেপির নেতৃত্ববৃন্দরা।

এদিন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়নতন বসু বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতি রুখতে এবারের নির্বাচনে মানুষ যেভাবে আমাদের সাথ রয়েছে তাতে পরিবার তন্ত্র রাজনীতি ধ্বংস হবেই।”

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: করোনা ভাইরাসের সমস্ত বিধিনিষেধ মেনেই সোমবার দিন থেকে শুরু হলো পুরুলিয়া জেলার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসব।এদিনের পড়ন্ত বিকেলে সত্যজিৎ রায়ের মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী ও রঘুনাথপুর মহকুমা শাসক দিব্যা মুরুগেশন।পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসকসভাধিপতি ও মহকুমা শাসক ছাড়াও এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উৎসব কমিটির সভাপতি তথা রঘুনাথপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান মদন বরাট,উৎসব কমিটির সম্পাদক মৃত্তুঞ্জয় চৌধুরী ও উৎসব কমিটির মুখ্য উপদেষ্টা বিষ্ণুচরন মেহেতা সহ অন্যান্যরা।

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন : ফের ভাঙন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলে (TMC)। দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভানেত্রী অন্বেষা জানা। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে চিঠি দিয়ে এদিন দল ছাড়ার কথা জানান তিনি। বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রীদল ছাড়ার প্রসঙ্গে অন্বেষা জানা জানান, তৃণমূল নেতৃত্ব পূর্ব মেদিনীপুরকে বিশ্বাসঘাতকের জেলা বলায় তিনি আঘাত পেয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের মেয়ে হয়ে তা তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাই দল ছাড়ছেন। আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) তিনি তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে মানেন। তাঁর আদর্শেই ভবিষ্যতে চলবেন। স্পষ্ট করে না বললেও, ভবিষ্যতে তিনি বিজেপিতে যোগদান করছেন, বলা চলে এমন ইঙ্গিতই দিলেন এদিন।

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কেন্দ্রীয় সরকারের ঐতিহাসিক কৃষি বিল দুই ২০২১ এর সমর্থনে এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়ের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিজেপির পথযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হলো। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে এদিন পথসভার আয়োজন করা হয়। উক্ত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার কিষান মোর্চার সভাপতি সহ জেলার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা কিষান মোর্চার নেত্রী ফাল্গুনী মিত্র জানান কৃষকদেরকে যেইভাবে বর্তমান রাজ্য সরকার বঞ্চিত করছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা থেকে তাই একদিন তারা বুঝতে পারবেন।

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

আর যেই দিন বাংলার কৃষকরা জেগে উঠবেন সেই দিন মমতা ব্যানার্জি আর ছাড় পাবেন না এনআরসি হবে ১৪ তলা বিল্ডিং থেকে গঙ্গার পাড়ে। স্বরূপ সময় দাবি করেন বাংলার কৃষকরা যেইভাবে বঞ্চিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প থেকে আগামী দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ চালু করতে দেওয়া হয়নি বিজেপি সরকার গঠন করার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তা চালু করলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। তার জন্য তিনি এদিন পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য এক সরকার গড়ার আহ্বান জানান এলাকার কৃষকদের।

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

শান্তনু পান,পুরুলিয়া:কেন্দ্রীয় সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা ও বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এবার পুরুলিয়া জেলার মানবাজার ১নঃ ব্লকের বামনী মোড়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হলো তৃণমূলের।এদিনের এই সভার পূর্বে একটি প্রতিবাদ মিছিলও পথে নামেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা সন্ধ্যারানী টুডু।

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের
কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

এদিনের এই প্রতিবাদ সভায় মন্ত্রী সন্ধ্যারানী টুডু বলেন,”কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা করে যাচ্ছে ও একের পর এক যেভাবে জনবিরোধী নীতি তৈরি করছে তারই বিরুদ্ধে আজ আমাদের এই প্রতিবাদ।আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপির বাংলাকে বঞ্চনা থেকে শুরু করে কৃষি আইন ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি-সহ বিভিন্ন জনবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে লড়েছি,লড়ে যাবো।”

শুভেন্দু অধিকারী গাদ্দার বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক, বলে শুভেন্দুর পোস্টার পোড়ালো জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

শুভেন্দু অধিকারী গাদ্দার বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক, বলে শুভেন্দুর পোস্টার পোড়ালো জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

শুভেন্দু অধিকারী গাদ্দার বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক, বলে শুভেন্দুর পোস্টার পোড়ালো জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

শুভেন্দু অধিকারী গাদ্দার বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক, বলে শুভেন্দুর পোস্টার পোড়ালো জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ
শুভেন্দু অধিকারী গাদ্দার বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক, বলে শুভেন্দুর পোস্টার পোড়ালো জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

মুর্শিদাবাদ জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর কোন নাম ও নিশান থাকবে না। এই বলে, জেলা সদর বহরমপুরে শুভেন্দুর পোস্টার ফেস্টুন ব্যানার ফ্লেক্স যত ছিল, তাতে আগুন ধরিয়ে জ্বালিয়ে দিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা কর্মীরা। রবিবারের এই কর্মসূচি টি ছিল তৃণমূল দলের রাজ্যব্যাপী সাফাই অভিযান কর্মসূচির অন্তর্গত। এমনটাই জানালেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি ভীষ্মদেব কর্মকার।

কেন্দ্র সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্র সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্র সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্রের বিজেপির সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা শান্ত বাংলাকে অশান্ত করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এবং কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের প্রতি যে বঞ্চনা সৃষ্টি করেছে তারই প্রতিবাদে

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পানিহাটির আগরপাড়ায় এক বিশাল প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ সভায় অসংখ্য সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

কেন্দ্র সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা
আজকের এই প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী মাননীয় শ্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মহাশয়, উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী মাননীয়া শ্রীমতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মহাশয়া, দলের বলিষ্ঠ সাংসদ মাননীয় শ্রী সৌগত রায়, প্রাক্তন মন্ত্রী মাননীয় শ্রী মদন মিত্র, বিধায়ক মাননীয় শ্রী পার্থ ভৌমিক, জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট শিক্ষক নেতা মাননীয় জনাব এ কে এম ফারহাদ সাহেব, স্থানীয় পৌরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা, উত্তর দমদম পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রবোধ সাহা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা বিধানসভায় সরকার পক্ষের মুখ্যসচেতক মাননীয় শ্রী নির্মল ঘোষ মহাশয়।