সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মহারাজ#

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- রবিবার বিকেল ৪টে ৪০ নাগাদ রাজভবনের সামনে এসে যখন লাল বিএমডাব্লুটা দাঁড়াল, তখন থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তাঁকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। ফিরতি পথে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দেন তিনি নিজেই। সবশেষে এদিন সাত সক্কালে তাঁর দিল্লি যাত্রা।
বিগত ৩৬ ঘণ্টা যাবত রাজ্য রাজনীতির ‘হটকেক’ একজনই। তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সকালে রাজধানীর বিমানে চেপে বসার আগেই যদিও রাজনীতি যোগের যাবতীয় জল্পনায় তিনি দাঁড়ি দিতে চেয়েছিলেন। তবে সেটা হয়নি। গত একদিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বাংলার নানা পক্ষের রাজনীতিবিদরা। ফলে দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেছেন তিনি।
ইতিমধ্যেই সৌরভের রাজনৈতিক যোগের জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি এসেছে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লার থেকে। একবার দেখে নেওয়া যাক কে কী বললেন।

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মহিউদ্দীন আহমেদ, বোলপুর। তৃনমূল কংগ্রেস আগেই বলেছিলো ঐত্যিহাসিক পদযাত্রা। মঙ্গলবার তৃনমূলের, বলা ভালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বুঝিয়ে দিলো বাংলাতে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন। বিজেপির অমিত শাহের সভা ও রোড শোতে যে পরিমান লোক সমাগম হয়েছিলো তাতে অনেকেই অবাক হয়েছিলো। মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেইআর আজ মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা সেই রের্কড ভেঙ্গে দিলো। দিন কয়েকের ব্যাবধানে বিজেপির মিছিল, সভা রোড শো আর তৃনমূলের সভা, পদযাত্রায় বিস্তর ফারাকও চোখে পড়ল। অমিত শাহের সভার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত হয় তার দ্বিগুনের থেকেও বেশী। ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়েই এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার বলেন ত্রিশ বছর চাকরী করছি। অনেক পলিটিক্যাল মিছিলে ডিউটি করেছি। কিন্তু এত লোক কখনও দেখিনি। ফারাক সংস্কৃতিতেও। অমিত শাহের সভা ও রোড শো কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ অবমাননার অভিযোগ উঠেছিলো। আর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানালেন প্রতি মূর্হুতে। মাইকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা গেছে তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও লাগানো হয় অনেক জায়গায়। সঙ্গে ছিলো বাউল শিল্পীরাও।মমতা

এদিন বোলপুরের ট্যুরিষ্ট লজ মোড় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা শুরু হয়। মমতার সঙ্গে ও রাস্তার দুপাশে এবং রাস্তার দু ধারের দোকান- বাড়ীর ছাদ ছিলো কানায় কানায় ভর্তি। তেরঙ্গা দলীয় পতাকা, সবুজ বেলুন, তোরন, ট্যাবলো তে চেনা বোলপুরকে আজ অনেকটাই অচেনা লাগছিলো। জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যখন হাঁটছিলেন তখন তাকে দেখার জন্য, অনেকে কথা বলার জন্য আকুল হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী অনেক সময় দাঁড়িয়ে হাতও নাড়েন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল বলেন, আমি বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ থেকে লোক আনিনি, হিন্দী ভাষী লোক আনিনি। আমি শুধু বীরভূমের লোক জমায়েত করেছি। এদিনে তৃনমূলের সভা ও পদযাত্রায় যে জনসমুদ্র দেখা গেছে তা অবশ্যই ইতিহাস হয়ে থাকবে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে। অভিমত অনেকের।

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

শান্তনু পান, ঝাড়গ্রাম:- বেজিপিতে যোগদান করার পর এই প্রথম বার কালো পতাকা দেখানো হলো শুভেন্দু অধিকারীকে। ঝাড়গ্রাম এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীকে তার অনুগামীরা সেখানকার ভাষায় ‘কুটুম’ বলেই দাবি করেন।ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে এদিন ঝাড়গ্রামে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির নেতা হিসেবেই কার্যক্রম করতে গিয়েছিলেন। শুভেন্দুর অনুগামীরা কয়েক বাইক নিয়ে ঝাড়গ্রাম শহর এর সামনে হাজির হলে হঠাৎই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী কালো পতাকা নিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা সামনে চলে আসে। তারপরই হঠাৎ দেখতে চাই ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সামাল দেয়।

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণের সামনে বিজেপির বিশাল পথসভা। একুশের নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেন সায়নতন বসু।তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভামঙ্গলবার দিন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিধানসভার শক্তিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো বিজেপির পথসভা। ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া এদিনের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়নতন বসু, জেলা বিজেপির সম্পাদক রাম কুমার দে এবং জেলা মহিলা মোর্চা সভানেত্রী তনুশ্রী সা৺ন্তরা সহ অন্যান্যরা। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি গ্রামবাসীদের কাছে তুলে ধরেন বিজেপির নেতৃত্ববৃন্দরা।

এদিন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়নতন বসু বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতি রুখতে এবারের নির্বাচনে মানুষ যেভাবে আমাদের সাথ রয়েছে তাতে পরিবার তন্ত্র রাজনীতি ধ্বংস হবেই।”

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

বীরভূম:- বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত তখন অন্যদিকে ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন শুরু করলো ধান ক্রয় কর্মী। বীরভূম জেলায় 330 পদে লোক দেওয়া হয়েছিল গত লোকসভা নির্বাচনে।ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন কিন্তু হঠাৎ করে দেখা যায় লোকসভা নির্বাচনের আগেই ওই 330 জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে ।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা যেতে গেলে স্থানীয় নেতারা তাদেরকে ঢুকতেই দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা । এই খবর জানানো হয়েছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে ।তিনি বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তাদেরকে নিয়ে গিয়ে ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু অভিযোগ তিনি কোনো রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। ওই ধান ক্রয় কর্মীদের স্বপক্ষে তাই তারাও চাইছে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাদের দাবি জানাতে
।কিন্তু সেটাও তারা পাচ্ছে না যার কারণে তারা সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই ।তাদের মধ্যে একজন কর্মী জয়ন্তি নায়েক ময়ূরেশ্বর দু’নম্বর ব্লক থেকে তিনি এসেছিলেন। শুধু তিনি নন তার সঙ্গে ছিল অনেক জন কর্মী। ইতিমধ্যে কাজ হারিয়েছে গত লোকসভা নির্বাচনের পর।

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন : ফের ভাঙন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলে (TMC)। দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভানেত্রী অন্বেষা জানা। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে চিঠি দিয়ে এদিন দল ছাড়ার কথা জানান তিনি। বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রীদল ছাড়ার প্রসঙ্গে অন্বেষা জানা জানান, তৃণমূল নেতৃত্ব পূর্ব মেদিনীপুরকে বিশ্বাসঘাতকের জেলা বলায় তিনি আঘাত পেয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের মেয়ে হয়ে তা তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাই দল ছাড়ছেন। আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) তিনি তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে মানেন। তাঁর আদর্শেই ভবিষ্যতে চলবেন। স্পষ্ট করে না বললেও, ভবিষ্যতে তিনি বিজেপিতে যোগদান করছেন, বলা চলে এমন ইঙ্গিতই দিলেন এদিন।

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা,CRP ভোট করাবে,MCC চালু হতে দেন দাঁতনের সভাতে কে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

শান্তনু পান,পশ্চিম মেদিনীপুর:- এবার বিধানসভার ভোট রাজ্য পুলিশে হবেনা,ভোট করাবে CRP,MCC চালু হতে দেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতনের সভা থেকে এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী,

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু
ভোটের প্রচারে শুভেন্দু

এইদিন পদযাত্রা ও সভাতে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী সহ এক ঝাঁক বিজেপি জেলা নেতৃত্ব,এইদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন শুভেন্দু অধিকারী পাশাপাশি নাম না করে তৃণমূলের এক সংসদের উপর তোপ দাগলেন তিনি,

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু
ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু

তিনি বলেন এক তৃণমূল সাংসদ বলেছে মেদিনীপুরে নাকি বিশ্বাসঘাতকদের জন্ম হয় সেই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন

ভোট তো এবার হবেই রাজ্য পুলিশে ভোট হবেনা : শুভেন্দু
শুভেন্দু

এই মেদিনীপুরের মাটিতেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়েছিল তিনি যদি না বর্ণপরিচয় লিখতেন তাহলে হয়তো আজ উনি নিজের পরিচয় লিখতে পারতেন না।