মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মহিউদ্দীন আহমেদ, বোলপুর। তৃনমূল কংগ্রেস আগেই বলেছিলো ঐত্যিহাসিক পদযাত্রা। মঙ্গলবার তৃনমূলের, বলা ভালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বুঝিয়ে দিলো বাংলাতে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন। বিজেপির অমিত শাহের সভা ও রোড শোতে যে পরিমান লোক সমাগম হয়েছিলো তাতে অনেকেই অবাক হয়েছিলো। মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেইআর আজ মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা সেই রের্কড ভেঙ্গে দিলো। দিন কয়েকের ব্যাবধানে বিজেপির মিছিল, সভা রোড শো আর তৃনমূলের সভা, পদযাত্রায় বিস্তর ফারাকও চোখে পড়ল। অমিত শাহের সভার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত হয় তার দ্বিগুনের থেকেও বেশী। ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়েই এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার বলেন ত্রিশ বছর চাকরী করছি। অনেক পলিটিক্যাল মিছিলে ডিউটি করেছি। কিন্তু এত লোক কখনও দেখিনি। ফারাক সংস্কৃতিতেও। অমিত শাহের সভা ও রোড শো কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ অবমাননার অভিযোগ উঠেছিলো। আর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানালেন প্রতি মূর্হুতে। মাইকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা গেছে তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও লাগানো হয় অনেক জায়গায়। সঙ্গে ছিলো বাউল শিল্পীরাও।মমতা

এদিন বোলপুরের ট্যুরিষ্ট লজ মোড় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা শুরু হয়। মমতার সঙ্গে ও রাস্তার দুপাশে এবং রাস্তার দু ধারের দোকান- বাড়ীর ছাদ ছিলো কানায় কানায় ভর্তি। তেরঙ্গা দলীয় পতাকা, সবুজ বেলুন, তোরন, ট্যাবলো তে চেনা বোলপুরকে আজ অনেকটাই অচেনা লাগছিলো। জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যখন হাঁটছিলেন তখন তাকে দেখার জন্য, অনেকে কথা বলার জন্য আকুল হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী অনেক সময় দাঁড়িয়ে হাতও নাড়েন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল বলেন, আমি বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ থেকে লোক আনিনি, হিন্দী ভাষী লোক আনিনি। আমি শুধু বীরভূমের লোক জমায়েত করেছি। এদিনে তৃনমূলের সভা ও পদযাত্রায় যে জনসমুদ্র দেখা গেছে তা অবশ্যই ইতিহাস হয়ে থাকবে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে। অভিমত অনেকের।

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী।

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: একুশের লক্ষ্যে ভোট বৈতরণি পার করতে এবার উন্নয়নই মূল হাতিয়ার তৃনমূলের।গত ১০ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরে এবার পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর বিধানসভায় শেষ হলো বঙ্গধ্বনি যাত্রা।সোমবার দিন যে বঙ্গধ্বনি যাত্রার শেষ পর্বে কাশীপুরে বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো একটি বিশাল মিছিল।এদিন কাশীপুর সেবাব্রতী সংঘের মাঠ থেকে যে মিছিলটি শুরু হয়ে কাশীপুর বাজার এলাকা পরিক্রমা করে শেষ হয় কাশীপুর বাজার মোড়ে।এই মিছিলের মধ্য দিয়ে এদিন দোকান ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের সমস্যার কথা শুনে তাদের হতে উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড তুলে দেন বিধায়ক সহ তৃনমূলের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দরা।পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

কাশীপুর বিধানসভার প্রায় প্রত্যেকটি এলাকা থেকে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা এসে এদিনের এই মিছিলে শামিল হন।এদিনের এই মিছিলে বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় ব্যানার্জি,জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন বেলথরিয়া, কাশীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কমল বাউরি ও কাশীপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদেব হেমব্রম সহ অন্যান্যরা।

এদিন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া বলেন,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশঅনুসারে তৃণমূল সরকারের বিগত ১০ বছরের সমস্ত উন্নয়ন কাশীপুর বিধানসভা এলাকার মানুষজনদের কাছে এই বঙ্গধ্বনি কর্মসূচীতে তুলে ধরলাম আমরা।যে কর্মসূচীর আজ সমাপ্ত হলো।অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত উন্নয়নমুখী প্রকল্প আমরা এই কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরলাম।পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সকলের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনলাম।তিনি এদিন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক যেভাবে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে গেছেন এবারের নির্বাচনে আমরা ব্যাপক ভোট জয়ী হবো।এবং পুনরায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসিয়ে তুলবো।

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

শান্তনু, পান,পুরুলিয়া: রাজ্য সরকার যখন নিজেদের ১০ বছরের কাজ কর্মের সাফল্যর রিপোর্ট কার্ড নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন আর ঠিক সেই সময় পুরুলিয়ার ২ নং ব্লকের কোলবাঁধ গ্রামে বাসিন্দাদের একাংশ দিলেন দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোট বয়কটের ডাক | উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদেরগ্রামবাসীদের অভিযোগ এই গ্রামের বাসিন্দারা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া কোন প্রকল্পেরই সুযোগ সুবিধা তারা এতদিন ধরে পান নি | যার কারণেই গ্রামবাসীরা বড় দিনে একটি বৈঠক করেন এবং সিদ্ধান্ত নেন দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামের মানুষ জন সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা না পেয়ে শুধুই বঞ্চনার শিকার হয়েছেন ।আর তার কোন সদুত্তর না পাওয়া পর্যন্ত গ্রামে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মীকে তারা গ্রামে ঢুকতে দেবেন না।

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: করোনা ভাইরাসের সমস্ত বিধিনিষেধ মেনেই সোমবার দিন থেকে শুরু হলো পুরুলিয়া জেলার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসব।এদিনের পড়ন্ত বিকেলে সত্যজিৎ রায়ের মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী ও রঘুনাথপুর মহকুমা শাসক দিব্যা মুরুগেশন।পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসকসভাধিপতি ও মহকুমা শাসক ছাড়াও এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উৎসব কমিটির সভাপতি তথা রঘুনাথপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান মদন বরাট,উৎসব কমিটির সম্পাদক মৃত্তুঞ্জয় চৌধুরী ও উৎসব কমিটির মুখ্য উপদেষ্টা বিষ্ণুচরন মেহেতা সহ অন্যান্যরা।

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

বীরভূম:- বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত তখন অন্যদিকে ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন শুরু করলো ধান ক্রয় কর্মী। বীরভূম জেলায় 330 পদে লোক দেওয়া হয়েছিল গত লোকসভা নির্বাচনে।ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন কিন্তু হঠাৎ করে দেখা যায় লোকসভা নির্বাচনের আগেই ওই 330 জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে ।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা যেতে গেলে স্থানীয় নেতারা তাদেরকে ঢুকতেই দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা । এই খবর জানানো হয়েছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে ।তিনি বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তাদেরকে নিয়ে গিয়ে ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু অভিযোগ তিনি কোনো রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। ওই ধান ক্রয় কর্মীদের স্বপক্ষে তাই তারাও চাইছে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাদের দাবি জানাতে
।কিন্তু সেটাও তারা পাচ্ছে না যার কারণে তারা সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই ।তাদের মধ্যে একজন কর্মী জয়ন্তি নায়েক ময়ূরেশ্বর দু’নম্বর ব্লক থেকে তিনি এসেছিলেন। শুধু তিনি নন তার সঙ্গে ছিল অনেক জন কর্মী। ইতিমধ্যে কাজ হারিয়েছে গত লোকসভা নির্বাচনের পর।

আদিবাসীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন দুবরাজপুর থানায়

আদিবাসীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন দুবরাজপুর থানায়

শান্তনু পান, দুবরাজপুর, বীরভূম;-

বীরভূম জেলা আদিবাসী গাঁওতা দুবরাজপুর শাখার পক্ষ থেকে দুবরাজপুর থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হল আজ। এদিন দুবরাজপুর ব্লকের মাজুরিয়া গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা হাতে তির ধনুক নিয়ে দুবরাজপুর থানায় এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এদিন নেতৃত্ব দেন আদিবাসী গাঁওতার দুবরাজপুর ব্লক সম্পাদক সুকুমার সরেন, সভাপতি ভীম মুর্মু সহ অন্যান্যরা। সুকুমার সরেন জানান, মশক কিস্কু এবং সোনাই হাঁসদা এই দুজনকে গতকাল রাত্রে পুলিশ ধরে এনে থানাতে ভরে দেয়। মাজুরিয়া গ্রাম হয়ে কিছু গাড়ী পারপার করে এবং সেই গাড়ী গুলোতে

আদিবাসীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন দুবরাজপুর থানায়
আদিবাসীদের বিক্ষোভ প্রদর্শন দুবরাজপুর থানায়

তাঁরা চাঁদা তুলছিল। কারন গ্রামে সিধুকানুর একটি মুর্তি বানানো হবে। অবিলম্বে তাঁদের ছাড়া না হলে আমরা এখানে অবস্থান বিক্ষোভ করব। পরে আদিবাসীদের চাপে পড়ে পুলিস ঐ দুজনকে ছেড়ে দেয়। তারপর পরিস্থিতি স্বভাবিক হয়।

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি

গোয়ালপোখর ২ নম্বর ব্লকের সেথর শিশু শিক্ষা কেন্দ্র একটি অরাজনৈতিক সংগঠন কৈখালী শিক্ষক ঐক্য ও কল্যাণ সমিতি সাথে যুক্ত হয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা রা একটি সভার আয়োজন করেন। আগামী ১১ ই জানুয়ারি ওই সংগঠন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে নবান্ন অভিযান করবেন বলে জানিয়েছেন জেলার জয়েন্ট সেক্রেটারি জিপসি দাস । ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক জাকির হোসেন, শিক্ষা বন্ধুর পক্ষ থেকে মলয় কুমার দাস, এছাড়াও মাদ্রাসা এস.এস.কে ,এম.এস.কে শিক্ষক শিক্ষিকারা। জেলার জয়েন্ট সেক্রেটারি জিপসি দাস কি বললেন আসুন শুনে নেওয়া যাক।

শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি

এস.এস.কে ও এম .এস .কের সুপারভাইজার জিপসি দাস মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন তিনি কুড়ি বছর থেকে এস.এস.কে তে কাজ করেন কিন্তু এতদিন ধরে তারা কোন বোনাস পাইনি এবং মাইনেও খুব কম,তারা সান্মানিক পাই, তাই তারা একটি অরাজনৈতিকসংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে আন্দোলন করায় গত বছর বোনাস পেয়েছিলেন। এবং মাইনে কিছুটা বৃদ্ধি হয়েছে। তাদের বক্তব্য যেখানে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে তারা পিছিয়ে রয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

শান্তনু পান,পুরুলিয়া:কেন্দ্রীয় সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা ও বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এবার পুরুলিয়া জেলার মানবাজার ১নঃ ব্লকের বামনী মোড়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হলো তৃণমূলের।এদিনের এই সভার পূর্বে একটি প্রতিবাদ মিছিলও পথে নামেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।যেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের অগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মানবাজার বিধানসভার বিধায়িকা সন্ধ্যারানী টুডু।

কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের
কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে পুরুলিয়ার মানবাজারে প্রতিবাদ মিছিল তৃণমূলের

এদিনের এই প্রতিবাদ সভায় মন্ত্রী সন্ধ্যারানী টুডু বলেন,”কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা করে যাচ্ছে ও একের পর এক যেভাবে জনবিরোধী নীতি তৈরি করছে তারই বিরুদ্ধে আজ আমাদের এই প্রতিবাদ।আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপির বাংলাকে বঞ্চনা থেকে শুরু করে কৃষি আইন ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি-সহ বিভিন্ন জনবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে লড়েছি,লড়ে যাবো।”

নন্দীগ্রামে উদ্ধার উত্তর আমেরিকার গোল্ডেন ঈগল

নন্দীগ্রামে উদ্ধার উত্তর আমেরিকার গোল্ডেন ঈগল

নন্দীগ্রামে উদ্ধার উত্তর আমেরিকার গোল্ডেন ঈগল

শীতের আবহাওয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে উদ্ধার হলো বিরল প্রজাতির ঈগল। এই বিরল প্রজাতির ঈগল পাখি দেখতে ডভীড় জমায় কয়েকশ সাধারণ মানুষে। সূত্রের খবর নন্দ্রীগ্রাম ২ ব্লকের খোদামবাড়ী ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কৃষ্ণনগর গ্রামে।

নন্দীগ্রামে উদ্ধার উত্তর আমেরিকার গোল্ডেন ঈগল
নন্দীগ্রামে উদ্ধার উত্তর আমেরিকার গোল্ডেন ঈগল

উক্ত গ্রামের সাধারণ মানুষ জন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে প্রাত্রভ্রমনে গিয়ে হঠাৎই লক্ষ্য পড়ে এই ঈগল পাখির দিকে। পাখিটি প্রথমে ছুটতে থাকে তার পর গ্রামের এসে ধরে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফর করবেন বীরভূমে তাই শহরজুড়ে সাজ সাজ রব

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফর করবেন বীরভূমে তাই শহরজুড়ে সাজ সাজ রব

এমনই প্রশাসন সূত্রের খবর। তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিয়ে এসে বোলপুরে ওই ধরনের একটি সভা এবং পদযাত্রা করার। সেই মোতাবেক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন জানান। তিনি বীরভূম সফর করেছেন। কিন্তু এবারে তিনি লাখো মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বোলপুরে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফর করবেন বীরভূমে তাই শহরজুড়ে সাজ সাজ রব
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফর করবেন বীরভূমে তাই শহরজুড়ে সাজ সাজ রব

প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন বীরভুমের বোলপুর থেকে। তবে এবারের সফরে অনেকটাই চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিজেপি যেভাবে বীরভূমে অমিত শাহ সভা এবং রেলিতে লোক এনেছিলো তার দ্বিগুণ লোক আনার ব্যবস্থা করেছে এখানকার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। এক কথা বলা যায় মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে প্রস্তুতিও চলছে চূড়ান্তভাবে ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সমস্ত কাজ তিনি করছেন বীরভূমে তথা বোলপুরে তার সরোজমিনে দেখতে পারেন বলে জানা গিয়েছে ।একদিকে তিনি চাইছেন তার প্রকল্প দুয়ারে সরকার নামে যেভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌছে যাচ্ছে সেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানা গেছে। কারা এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পাইনি তাদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সচেষ্ট হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ।শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বোলপুর শহরকে সাজিয়ে তোলার জন্য তৃণমূলের পতাকা ফ্লেক্স প্রভৃতি দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী এবং সমর্থকরা ইতিমধ্যে এলাকা প্রায় কুড়ি হাজার পতাকা লাগানো হয়েছে। বোলপুর শহরজুড়ে অন্যদিকে প্রায় কুড়িটি বেলুন তোরণ তৈরি করা হয়েছে। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে স্বাগত জানানোর জন্য এই ধরনের আয়োজন করেছে বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেস ।অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে রেলি করবেন বোলপুর ডাকবাংলা মাঠ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত সেই রাস্তার মধ্যে বসানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশকিছু কাটাউট। শুধু এখানে ক্ষান্ত নয় বীরভূম জেলা প্রশাসন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেখানে রোড শো করবেন সেখানেও রবীন্দ্র আবেগকে কাজে লাগাতে চেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ওই পদযাত্রার বিভিন্ন জায়গায় লাগানো থাকবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাণী। যেটা এখনো পর্যন্ত জানা যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুদিনের এই বোলপুর সফরে তিনি রাত্রি বাস করবেন একদিন। অন্যদিকে এও জানা গিয়েছে প্রশাসনিক সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোনাঝুরির হাট দেখতে যেতে পারেন।