সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মহারাজ#

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- রবিবার বিকেল ৪টে ৪০ নাগাদ রাজভবনের সামনে এসে যখন লাল বিএমডাব্লুটা দাঁড়াল, তখন থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তাঁকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। ফিরতি পথে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দেন তিনি নিজেই। সবশেষে এদিন সাত সক্কালে তাঁর দিল্লি যাত্রা।
বিগত ৩৬ ঘণ্টা যাবত রাজ্য রাজনীতির ‘হটকেক’ একজনই। তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সকালে রাজধানীর বিমানে চেপে বসার আগেই যদিও রাজনীতি যোগের যাবতীয় জল্পনায় তিনি দাঁড়ি দিতে চেয়েছিলেন। তবে সেটা হয়নি। গত একদিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বাংলার নানা পক্ষের রাজনীতিবিদরা। ফলে দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেছেন তিনি।
ইতিমধ্যেই সৌরভের রাজনৈতিক যোগের জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি এসেছে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লার থেকে। একবার দেখে নেওয়া যাক কে কী বললেন।

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর :- পশ্চিম বাংলার রাজ্য রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছেন সত্য তৃণমূল ছেড়ে আসা প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১ দিন আগেই নতুন বিজেপির নেতৃত্ব হিসেবে জনসভা করে গিয়েছিলেন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এদিন তারই পাল্টা হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য একটি জনসভা করলেন দাঁতনে। উক্ত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য, যেমন কাঁদাতে জানি কংগ্রেসের সভাপতি অজিত মাইতি ও বাংলাদেশের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কার ওয়াশিং হাজরা সহ একাধিক নেতৃত্ব।বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

দাঁতনের জনসভা থেকে অজিত মাইতি শুভেন্দুকে অধিকারীকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। কার্যত অজিত নিজেই একটি যুদ্ধ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারীর সাথে। আমাদের মধ্যে তিনি শুভেন্দু অধিকারী চাঁচা ছোলা ভাজা আক্রমণ করতে থাকেন, দাবি করেন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ভোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন। বিজেপিতে গেছেন উনি নিজে জীবনে বাঁচার জন্য বিজেপিকে জেতানোর জন্য নয়।

অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন বিজেপি কোটি কোটি টাকা খরচা করে লোক এনেছিলো শুভেন্দু অধিকারী জনসভায় দেখানোর জন্য। দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী বাংলায় নাকি পদ্ম ফোটাবেন তারা আগে নিজের বাড়িতে পদ্ম ফুটিয়ে দেখান তারপর বাংলায় ফোটাবেন। দেবাংশু আরও দাবি শুভেন্দু অধিকারী না কি বলছেন জেলার থেকে কেউ মন্ত্রীত্ব পাননি তাহলে তিনি কি করে মন্ত্রিত্ব পেলেন তিনি কি করে পেলেন তিনিও তো জেলার থেকেই বিধায়ক হয়েছিলেন।

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মহিউদ্দীন আহমেদ, বোলপুর। তৃনমূল কংগ্রেস আগেই বলেছিলো ঐত্যিহাসিক পদযাত্রা। মঙ্গলবার তৃনমূলের, বলা ভালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বুঝিয়ে দিলো বাংলাতে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন। বিজেপির অমিত শাহের সভা ও রোড শোতে যে পরিমান লোক সমাগম হয়েছিলো তাতে অনেকেই অবাক হয়েছিলো। মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেইআর আজ মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা সেই রের্কড ভেঙ্গে দিলো। দিন কয়েকের ব্যাবধানে বিজেপির মিছিল, সভা রোড শো আর তৃনমূলের সভা, পদযাত্রায় বিস্তর ফারাকও চোখে পড়ল। অমিত শাহের সভার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত হয় তার দ্বিগুনের থেকেও বেশী। ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়েই এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার বলেন ত্রিশ বছর চাকরী করছি। অনেক পলিটিক্যাল মিছিলে ডিউটি করেছি। কিন্তু এত লোক কখনও দেখিনি। ফারাক সংস্কৃতিতেও। অমিত শাহের সভা ও রোড শো কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ অবমাননার অভিযোগ উঠেছিলো। আর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানালেন প্রতি মূর্হুতে। মাইকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা গেছে তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও লাগানো হয় অনেক জায়গায়। সঙ্গে ছিলো বাউল শিল্পীরাও।মমতা

এদিন বোলপুরের ট্যুরিষ্ট লজ মোড় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা শুরু হয়। মমতার সঙ্গে ও রাস্তার দুপাশে এবং রাস্তার দু ধারের দোকান- বাড়ীর ছাদ ছিলো কানায় কানায় ভর্তি। তেরঙ্গা দলীয় পতাকা, সবুজ বেলুন, তোরন, ট্যাবলো তে চেনা বোলপুরকে আজ অনেকটাই অচেনা লাগছিলো। জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যখন হাঁটছিলেন তখন তাকে দেখার জন্য, অনেকে কথা বলার জন্য আকুল হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী অনেক সময় দাঁড়িয়ে হাতও নাড়েন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল বলেন, আমি বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ থেকে লোক আনিনি, হিন্দী ভাষী লোক আনিনি। আমি শুধু বীরভূমের লোক জমায়েত করেছি। এদিনে তৃনমূলের সভা ও পদযাত্রায় যে জনসমুদ্র দেখা গেছে তা অবশ্যই ইতিহাস হয়ে থাকবে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে। অভিমত অনেকের।

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

শান্তনু পান, ঝাড়গ্রাম:- বেজিপিতে যোগদান করার পর এই প্রথম বার কালো পতাকা দেখানো হলো শুভেন্দু অধিকারীকে। ঝাড়গ্রাম এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীকে তার অনুগামীরা সেখানকার ভাষায় ‘কুটুম’ বলেই দাবি করেন।ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে এদিন ঝাড়গ্রামে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির নেতা হিসেবেই কার্যক্রম করতে গিয়েছিলেন। শুভেন্দুর অনুগামীরা কয়েক বাইক নিয়ে ঝাড়গ্রাম শহর এর সামনে হাজির হলে হঠাৎই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী কালো পতাকা নিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা সামনে চলে আসে। তারপরই হঠাৎ দেখতে চাই ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সামাল দেয়।

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী।

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: একুশের লক্ষ্যে ভোট বৈতরণি পার করতে এবার উন্নয়নই মূল হাতিয়ার তৃনমূলের।গত ১০ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরে এবার পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর বিধানসভায় শেষ হলো বঙ্গধ্বনি যাত্রা।সোমবার দিন যে বঙ্গধ্বনি যাত্রার শেষ পর্বে কাশীপুরে বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো একটি বিশাল মিছিল।এদিন কাশীপুর সেবাব্রতী সংঘের মাঠ থেকে যে মিছিলটি শুরু হয়ে কাশীপুর বাজার এলাকা পরিক্রমা করে শেষ হয় কাশীপুর বাজার মোড়ে।এই মিছিলের মধ্য দিয়ে এদিন দোকান ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের সমস্যার কথা শুনে তাদের হতে উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড তুলে দেন বিধায়ক সহ তৃনমূলের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দরা।পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

কাশীপুর বিধানসভার প্রায় প্রত্যেকটি এলাকা থেকে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা এসে এদিনের এই মিছিলে শামিল হন।এদিনের এই মিছিলে বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় ব্যানার্জি,জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন বেলথরিয়া, কাশীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কমল বাউরি ও কাশীপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদেব হেমব্রম সহ অন্যান্যরা।

এদিন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া বলেন,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশঅনুসারে তৃণমূল সরকারের বিগত ১০ বছরের সমস্ত উন্নয়ন কাশীপুর বিধানসভা এলাকার মানুষজনদের কাছে এই বঙ্গধ্বনি কর্মসূচীতে তুলে ধরলাম আমরা।যে কর্মসূচীর আজ সমাপ্ত হলো।অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত উন্নয়নমুখী প্রকল্প আমরা এই কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরলাম।পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সকলের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনলাম।তিনি এদিন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক যেভাবে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে গেছেন এবারের নির্বাচনে আমরা ব্যাপক ভোট জয়ী হবো।এবং পুনরায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসিয়ে তুলবো।

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণের সামনে বিজেপির বিশাল পথসভা। একুশের নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেন সায়নতন বসু।তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভামঙ্গলবার দিন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিধানসভার শক্তিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো বিজেপির পথসভা। ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া এদিনের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়নতন বসু, জেলা বিজেপির সম্পাদক রাম কুমার দে এবং জেলা মহিলা মোর্চা সভানেত্রী তনুশ্রী সা৺ন্তরা সহ অন্যান্যরা। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি গ্রামবাসীদের কাছে তুলে ধরেন বিজেপির নেতৃত্ববৃন্দরা।

এদিন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়নতন বসু বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতি রুখতে এবারের নির্বাচনে মানুষ যেভাবে আমাদের সাথ রয়েছে তাতে পরিবার তন্ত্র রাজনীতি ধ্বংস হবেই।”

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

বিশ্বাসঘাতক’ মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন : ফের ভাঙন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলে (TMC)। দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভানেত্রী অন্বেষা জানা। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে চিঠি দিয়ে এদিন দল ছাড়ার কথা জানান তিনি। বিশ্বাসঘাতক' মন্তব্যে আহত! দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুর TMCP সভানেত্রীদল ছাড়ার প্রসঙ্গে অন্বেষা জানা জানান, তৃণমূল নেতৃত্ব পূর্ব মেদিনীপুরকে বিশ্বাসঘাতকের জেলা বলায় তিনি আঘাত পেয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের মেয়ে হয়ে তা তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাই দল ছাড়ছেন। আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) তিনি তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে মানেন। তাঁর আদর্শেই ভবিষ্যতে চলবেন। স্পষ্ট করে না বললেও, ভবিষ্যতে তিনি বিজেপিতে যোগদান করছেন, বলা চলে এমন ইঙ্গিতই দিলেন এদিন।

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

কেন্দ্রীয় সরকারের ঐতিহাসিক কৃষি বিল দুই ২০২১ এর সমর্থনে এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়ের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিজেপির পথযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হলো। ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে এদিন পথসভার আয়োজন করা হয়। উক্ত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার কিষান মোর্চার সভাপতি সহ জেলার একাধিক নেতৃত্ব। জেলা কিষান মোর্চার নেত্রী ফাল্গুনী মিত্র জানান কৃষকদেরকে যেইভাবে বর্তমান রাজ্য সরকার বঞ্চিত করছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা থেকে তাই একদিন তারা বুঝতে পারবেন।

কৃষি বিল দুই এর সমর্থনে বিজেপির পথসভা

আর যেই দিন বাংলার কৃষকরা জেগে উঠবেন সেই দিন মমতা ব্যানার্জি আর ছাড় পাবেন না এনআরসি হবে ১৪ তলা বিল্ডিং থেকে গঙ্গার পাড়ে। স্বরূপ সময় দাবি করেন বাংলার কৃষকরা যেইভাবে বঞ্চিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প থেকে আগামী দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ চালু করতে দেওয়া হয়নি বিজেপি সরকার গঠন করার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তা চালু করলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। তার জন্য তিনি এদিন পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য এক সরকার গড়ার আহ্বান জানান এলাকার কৃষকদের।

আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলায় বিজেপির গৃহ সম্পর্ক

আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলায় বিজেপির গৃহ সম্পর্ক

আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলায় বিজেপির গৃহ সম্পর্ক

#বুথ সভাপতিদের বাড়ি বাড়ি অভিযান জেলা সভাপতির

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেসের “দুয়ারে সেলিব্রেটি’ এর পাল্টা বিজেপির ‘আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে সারা রাজ্যজুড়ে। আজ ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলা বিধানসভা এলাকায় অনুষ্ঠিত হলো বিজেপির শক্তিশালী বুথ গঠন। এদিন কর্মসূচিতে উপস্থিত জেলা সভাপতি অন্তরা ভট্টাচার্য, জেলা পর্যবেক্ষক নীলাঞ্জন অধিকারী, জেলা সাধারণ সম্পাদক তন্ময় দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব বৃন্দ।

আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলায় বিজেপির গৃহ সম্পর্ক
আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী কর্মসূচিকে সামনে রেখে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার পিংলায় বিজেপির গৃহ সম্পর্ক

জেলা সভানেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান বাংলা একটা অরাজক সরকার চলছে খুব শীঘ্রই বাংলার মানুষ এই সরকারকে উপরে বঙ্গোপসাগরে বিসর্জন দেবেন। তৃণমূলের বিদায় ঘন্টা বাজানোর ডাক দেন কর্মী-সমর্থকদের। আরো জানান সকলকে একসাথে কোমর বেঁধে ভোটের ময়দানে নামাতে হবে এবং ২০০ টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার কথা আরো একবার মনে করিয়ে দেন। অন্তরা ভট্টাচার্য জানান পরিবর্তন আনবেন বাংলার মানুষের স্বার্থে।

আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী
আমার বুথ সবচেয়ে শক্তিশালী

জেলা সভানেত্রী আরও জানান এখানকার প্রত্যেকটি বাড়ি বাড়ি ঘুরে আমি সাধারণ মানুষের মধ্যে যেই স্বতঃস্ফূর্ততা মনোভাব লক্ষ্য করলাম আমি নিশ্চিত পরিবর্তন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

লাহিল কমার্সালে বিভিন্ন দল থেকে ২০০ র বেশি তৃণমূলে যোগদান

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান

গোয়ালপুকুর 2 নম্বর ব্লকের বেলুন গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত লাহিল কমার্শায়াল প্রাইমারি বিদ্যালয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি যোগদান সভার আয়োজন করা হয় যেখানে 200 বেশি মানুষ বিভিন্ন দল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এরিন সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী গোলাম রাব্বানী, জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়াল, তৃণমূল ব্লক কো-অর্ডিনেটর মিনহাজুল আরফিন আজাদ, সহ-সভাপতি আব্দুল গনি, জেলা কমিটির সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট একরামুল হক, জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পম্পা সরকার, জেলা পরিষদ সদস্য সাঈদ সিদ্দিকী, এছাড়াও মশিউজ্জামান কাদরী, ফাকরুজ্জামান, ফারুক আব্দুল্লাহ, আনোয়ার আলম, বিপ্লব মন্ডল, অন্যান্য সদস্য।

তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান
তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান

শ্রম মন্ত্রী গোলাম রাব্বানী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কে নিশানা করে বললেন আসামের 19 লক্ষ মানুষকে বেঘর করে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

চাকুলিয়ায় বাড়তে থাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আধিকারিকদের সাথে কথা বলবেন এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

তিনি বললেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তাদের লড়াই বিজেপির সাথেই হতে চলেছে কিন্তু জিতবে তারাই।

তিনি বিজেপির মহিলা মোর্চার ধর্নায় বসাকে সমালোচনা করে বললেন উত্তরপ্রদেশের হাথ্রাসে যে অন্যায় করেছে বিজেপি তার ন্যায় বিচার আগে করুক। পশ্চিমবঙ্গে সবাই সুরক্ষিত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ও মমতা ব্যানার্জির বায়োপিক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেলা মহিলা তৃণমূল এর সহ-সভাপতি পম্পা সরকার বললেন প্রধানমন্ত্রী আগে কি ছিলেন এবং এখন কি আছে আর মমতা ব্যানার্জি আগে কি ছিল এখন কি আছে এটা সবাই জানে।
এছাড়াও তিনি নরেন্দ্র মোদির আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পকে সমালোচনা করেছেন।