সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

সৌরভের নেতৃত্বে একুশের ময়দানে ছক্কা ওড়াবে বঙ্গ বিজেপি

দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মহারাজ#

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- রবিবার বিকেল ৪টে ৪০ নাগাদ রাজভবনের সামনে এসে যখন লাল বিএমডাব্লুটা দাঁড়াল, তখন থেকে রাজ্য রাজনীতিতে তাঁকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। ফিরতি পথে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি না হয়ে পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে জল্পনা আরও বাড়িয়ে দেন তিনি নিজেই। সবশেষে এদিন সাত সক্কালে তাঁর দিল্লি যাত্রা।
বিগত ৩৬ ঘণ্টা যাবত রাজ্য রাজনীতির ‘হটকেক’ একজনই। তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সকালে রাজধানীর বিমানে চেপে বসার আগেই যদিও রাজনীতি যোগের যাবতীয় জল্পনায় তিনি দাঁড়ি দিতে চেয়েছিলেন। তবে সেটা হয়নি। গত একদিনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বাংলার নানা পক্ষের রাজনীতিবিদরা। ফলে দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক যতই তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জল্পনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেছেন তিনি।
ইতিমধ্যেই সৌরভের রাজনৈতিক যোগের জল্পনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি এসেছে আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লার থেকে। একবার দেখে নেওয়া যাক কে কী বললেন।

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর :- পশ্চিম বাংলার রাজ্য রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছেন সত্য তৃণমূল ছেড়ে আসা প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১ দিন আগেই নতুন বিজেপির নেতৃত্ব হিসেবে জনসভা করে গিয়েছিলেন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে আসা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এদিন তারই পাল্টা হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য একটি জনসভা করলেন দাঁতনে। উক্ত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য, যেমন কাঁদাতে জানি কংগ্রেসের সভাপতি অজিত মাইতি ও বাংলাদেশের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কার ওয়াশিং হাজরা সহ একাধিক নেতৃত্ব।বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা সরগরম দাঁতন

দাঁতনের জনসভা থেকে অজিত মাইতি শুভেন্দুকে অধিকারীকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত। কার্যত অজিত নিজেই একটি যুদ্ধ ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারীর সাথে। আমাদের মধ্যে তিনি শুভেন্দু অধিকারী চাঁচা ছোলা ভাজা আক্রমণ করতে থাকেন, দাবি করেন কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ভোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন। বিজেপিতে গেছেন উনি নিজে জীবনে বাঁচার জন্য বিজেপিকে জেতানোর জন্য নয়।

অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন বিজেপি কোটি কোটি টাকা খরচা করে লোক এনেছিলো শুভেন্দু অধিকারী জনসভায় দেখানোর জন্য। দেবাংশু ভট্টাচার্য দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী বাংলায় নাকি পদ্ম ফোটাবেন তারা আগে নিজের বাড়িতে পদ্ম ফুটিয়ে দেখান তারপর বাংলায় ফোটাবেন। দেবাংশু আরও দাবি শুভেন্দু অধিকারী না কি বলছেন জেলার থেকে কেউ মন্ত্রীত্ব পাননি তাহলে তিনি কি করে মন্ত্রিত্ব পেলেন তিনি কি করে পেলেন তিনিও তো জেলার থেকেই বিধায়ক হয়েছিলেন।

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেই

মহিউদ্দীন আহমেদ, বোলপুর। তৃনমূল কংগ্রেস আগেই বলেছিলো ঐত্যিহাসিক পদযাত্রা। মঙ্গলবার তৃনমূলের, বলা ভালো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা বুঝিয়ে দিলো বাংলাতে তিনি ছিলেন এবং থাকবেন। বিজেপির অমিত শাহের সভা ও রোড শোতে যে পরিমান লোক সমাগম হয়েছিলো তাতে অনেকেই অবাক হয়েছিলো। মমতার পাশে আছে বীরভূমঃ প্রবল জনস্রোত বুঝিয়ে দিলো বাংলায় মমতা আছে মমতাতেইআর আজ মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা সেই রের্কড ভেঙ্গে দিলো। দিন কয়েকের ব্যাবধানে বিজেপির মিছিল, সভা রোড শো আর তৃনমূলের সভা, পদযাত্রায় বিস্তর ফারাকও চোখে পড়ল। অমিত শাহের সভার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় জনস্রোত হয় তার দ্বিগুনের থেকেও বেশী। ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়েই এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার বলেন ত্রিশ বছর চাকরী করছি। অনেক পলিটিক্যাল মিছিলে ডিউটি করেছি। কিন্তু এত লোক কখনও দেখিনি। ফারাক সংস্কৃতিতেও। অমিত শাহের সভা ও রোড শো কে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ অবমাননার অভিযোগ উঠেছিলো। আর এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান জানালেন প্রতি মূর্হুতে। মাইকে যেমন রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনা গেছে তেমনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও লাগানো হয় অনেক জায়গায়। সঙ্গে ছিলো বাউল শিল্পীরাও।মমতা

এদিন বোলপুরের ট্যুরিষ্ট লজ মোড় থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রা শুরু হয়। মমতার সঙ্গে ও রাস্তার দুপাশে এবং রাস্তার দু ধারের দোকান- বাড়ীর ছাদ ছিলো কানায় কানায় ভর্তি। তেরঙ্গা দলীয় পতাকা, সবুজ বেলুন, তোরন, ট্যাবলো তে চেনা বোলপুরকে আজ অনেকটাই অচেনা লাগছিলো। জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী যখন হাঁটছিলেন তখন তাকে দেখার জন্য, অনেকে কথা বলার জন্য আকুল হয়ে পড়েন। মুখ্যমন্ত্রী অনেক সময় দাঁড়িয়ে হাতও নাড়েন। বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল বলেন, আমি বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ থেকে লোক আনিনি, হিন্দী ভাষী লোক আনিনি। আমি শুধু বীরভূমের লোক জমায়েত করেছি। এদিনে তৃনমূলের সভা ও পদযাত্রায় যে জনসমুদ্র দেখা গেছে তা অবশ্যই ইতিহাস হয়ে থাকবে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে। অভিমত অনেকের।

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে

শান্তনু পান, ঝাড়গ্রাম:- বেজিপিতে যোগদান করার পর এই প্রথম বার কালো পতাকা দেখানো হলো শুভেন্দু অধিকারীকে। ঝাড়গ্রাম এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীকে তার অনুগামীরা সেখানকার ভাষায় ‘কুটুম’ বলেই দাবি করেন।ঝাড়গ্রামে কালো পতাকা দেখানো হলো পাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে এদিন ঝাড়গ্রামে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির নেতা হিসেবেই কার্যক্রম করতে গিয়েছিলেন। শুভেন্দুর অনুগামীরা কয়েক বাইক নিয়ে ঝাড়গ্রাম শহর এর সামনে হাজির হলে হঠাৎই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী কালো পতাকা নিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা সামনে চলে আসে। তারপরই হঠাৎ দেখতে চাই ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সামাল দেয়।

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী।

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: একুশের লক্ষ্যে ভোট বৈতরণি পার করতে এবার উন্নয়নই মূল হাতিয়ার তৃনমূলের।গত ১০ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরে এবার পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর বিধানসভায় শেষ হলো বঙ্গধ্বনি যাত্রা।সোমবার দিন যে বঙ্গধ্বনি যাত্রার শেষ পর্বে কাশীপুরে বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো একটি বিশাল মিছিল।এদিন কাশীপুর সেবাব্রতী সংঘের মাঠ থেকে যে মিছিলটি শুরু হয়ে কাশীপুর বাজার এলাকা পরিক্রমা করে শেষ হয় কাশীপুর বাজার মোড়ে।এই মিছিলের মধ্য দিয়ে এদিন দোকান ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীদের সমস্যার কথা শুনে তাদের হতে উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড তুলে দেন বিধায়ক সহ তৃনমূলের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দরা।পুরুলিয়া জেলার কাশীপুরে বিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গধ্বনি কর্মসূচী

কাশীপুর বিধানসভার প্রায় প্রত্যেকটি এলাকা থেকে তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা এসে এদিনের এই মিছিলে শামিল হন।এদিনের এই মিছিলে বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন,পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ জেলা পরিষদের কো-মেন্টর জয় ব্যানার্জি,জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সৌমেন বেলথরিয়া, কাশীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কমল বাউরি ও কাশীপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুদেব হেমব্রম সহ অন্যান্যরা।

এদিন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া বলেন,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশঅনুসারে তৃণমূল সরকারের বিগত ১০ বছরের সমস্ত উন্নয়ন কাশীপুর বিধানসভা এলাকার মানুষজনদের কাছে এই বঙ্গধ্বনি কর্মসূচীতে তুলে ধরলাম আমরা।যে কর্মসূচীর আজ সমাপ্ত হলো।অপরদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত উন্নয়নমুখী প্রকল্প আমরা এই কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে তুলে ধরলাম।পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে গিয়ে সকলের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনলাম।তিনি এদিন আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক যেভাবে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করে গেছেন এবারের নির্বাচনে আমরা ব্যাপক ভোট জয়ী হবো।এবং পুনরায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসিয়ে তুলবো।

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভা

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণের সামনে বিজেপির বিশাল পথসভা। একুশের নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেন সায়নতন বসু।তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়ে ঘাটালে বিজেপির পথসভামঙ্গলবার দিন ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন বিধানসভার শক্তিকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হলো বিজেপির পথসভা। ঘাটাল বিশলক্ষী মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়া এদিনের পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়নতন বসু, জেলা বিজেপির সম্পাদক রাম কুমার দে এবং জেলা মহিলা মোর্চা সভানেত্রী তনুশ্রী সা৺ন্তরা সহ অন্যান্যরা। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি গ্রামবাসীদের কাছে তুলে ধরেন বিজেপির নেতৃত্ববৃন্দরা।

এদিন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়নতন বসু বলেন, “তৃণমূলের দুর্নীতি রুখতে এবারের নির্বাচনে মানুষ যেভাবে আমাদের সাথ রয়েছে তাতে পরিবার তন্ত্র রাজনীতি ধ্বংস হবেই।”

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদের

শান্তনু, পান,পুরুলিয়া: রাজ্য সরকার যখন নিজেদের ১০ বছরের কাজ কর্মের সাফল্যর রিপোর্ট কার্ড নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন আর ঠিক সেই সময় পুরুলিয়ার ২ নং ব্লকের কোলবাঁধ গ্রামে বাসিন্দাদের একাংশ দিলেন দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোট বয়কটের ডাক | উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থাকায় পুরুলিয়ায় দেওয়াল লিখন করে ভোট বয়কটের ডাক গ্রামবাসীদেরগ্রামবাসীদের অভিযোগ এই গ্রামের বাসিন্দারা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া কোন প্রকল্পেরই সুযোগ সুবিধা তারা এতদিন ধরে পান নি | যার কারণেই গ্রামবাসীরা বড় দিনে একটি বৈঠক করেন এবং সিদ্ধান্ত নেন দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামের মানুষ জন সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা না পেয়ে শুধুই বঞ্চনার শিকার হয়েছেন ।আর তার কোন সদুত্তর না পাওয়া পর্যন্ত গ্রামে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মীকে তারা গ্রামে ঢুকতে দেবেন না।

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসক

শান্তনু পান,পুরুলিয়া: করোনা ভাইরাসের সমস্ত বিধিনিষেধ মেনেই সোমবার দিন থেকে শুরু হলো পুরুলিয়া জেলার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসব।এদিনের পড়ন্ত বিকেলে সত্যজিৎ রায়ের মঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় ব্যানার্জী ও রঘুনাথপুর মহকুমা শাসক দিব্যা মুরুগেশন।পুরুলিয়ার ১৫ তম জয়চন্ডী পাহাড় পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন করলেন সভাধিপতি ও মহকুমা শাসকসভাধিপতি ও মহকুমা শাসক ছাড়াও এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উৎসব কমিটির সভাপতি তথা রঘুনাথপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান মদন বরাট,উৎসব কমিটির সম্পাদক মৃত্তুঞ্জয় চৌধুরী ও উৎসব কমিটির মুখ্য উপদেষ্টা বিষ্ণুচরন মেহেতা সহ অন্যান্যরা।

আগুনের কবলে খড়গপুরের ভান্ডারী শোরুম

আগুনের কবলে খড়গপুরের ভান্ডারী শোরুম

আগুনের কবলে খড়গপুরের ভান্ডারী শোরুম! দমকলের তৎপরতায় প্রদানে রক্ষা পেলো আবাসনের বাসিন্দারা

শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর:- সোমবার বিকেলে ভয়াবহ আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা পেল খড়গপুর শহরের গোল্ডেন বুলবুলচটি এলাকার ভান্ডার এর শোরুম। সঠিক সময়ে এসে পৌঁছালে আবাসিক এর সমস্ত বাসিন্দারা প্রাণে রক্ষা করতেন না এমনটাই মত বাসিন্দাদের। ঝুমকোলতা পরীক্ষা দিল এই আবাসনের ভানডারি শোরুম টিও। আগুনের কবলে খড়গপুরের ভান্ডারী শোরুমশোরুম এর কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি যেমন রক্ষা হয়েছে অপর দিকে রক্ষ্যা হয়েছে কয়েকশ সাধারণ মানুষের প্রাণও। শোরুমের একটি বিভাগে পুরানো গাড়ির কাজ করা হয়। দমকলের আধিকারিকদের অনুমান মেরামতির ওই বিভাগ থেকে কোনভাবে গিয়ে সমস্ত স্তরের আগুন জ্বলে ছড়িয়ে পড়ে। পুরাতন গাড়ির পাশাপাশি নতুন গাড়ি ও প্রচুর পরিমাণে স্টক ছিল শোরুম টিতে। ভান্ডারি অটোমোবাইল শোরুমের এক্সিকিউটিভ এর দাবি সঠিক সময় না আসলে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি লোকসান হয়ে যেতে পারত।

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন

বীরভূম:- বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত তখন অন্যদিকে ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন শুরু করলো ধান ক্রয় কর্মী। বীরভূম জেলায় 330 পদে লোক দেওয়া হয়েছিল গত লোকসভা নির্বাচনে।ছাঁটাইয়ের পর আবার নতুনভাবে চাকরির দাবিতে আন্দোলন কিন্তু হঠাৎ করে দেখা যায় লোকসভা নির্বাচনের আগেই ওই 330 জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে ।মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা যেতে গেলে স্থানীয় নেতারা তাদেরকে ঢুকতেই দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা । এই খবর জানানো হয়েছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কে ।তিনি বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তাদেরকে নিয়ে গিয়ে ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু অভিযোগ তিনি কোনো রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। ওই ধান ক্রয় কর্মীদের স্বপক্ষে তাই তারাও চাইছে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাদের দাবি জানাতে
।কিন্তু সেটাও তারা পাচ্ছে না যার কারণে তারা সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই ।তাদের মধ্যে একজন কর্মী জয়ন্তি নায়েক ময়ূরেশ্বর দু’নম্বর ব্লক থেকে তিনি এসেছিলেন। শুধু তিনি নন তার সঙ্গে ছিল অনেক জন কর্মী। ইতিমধ্যে কাজ হারিয়েছে গত লোকসভা নির্বাচনের পর।